শাহিনুল ইসলাম লিটনঃ
সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নে ব্যতিক্রমধর্মী র্যালি ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছে সামাজিক সংগঠন ভয়েস অব গুনাইগাছ। আয়োজনে সহযোগিতা করে সাকসেস রেসিডেন্সিয়াল স্কুল।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় পুরো এলাকায়। সম্প্রীতির বার্তা বহনকারী র্যালিটি গুনাইগাছ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে ঢোল-তবলা, মাইকিং ও ঘোড়ার গাড়ির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের কাছে সামাজিক ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া সাইবার ফোর্স (জেসিএফ) রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম চিশতি শাহিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনসারী আইটির পরিচালক ও উলিপুর উপজেলা স্কাউটসের কমিশনার রফিকুল আনসারী, দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান এবং অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশরাফুল আলম চিশতি শাহিন বলেন, “বর্তমান সরকার ক্রীড়া ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের জন্য আলাদা পেশাগত সুযোগ ও সম্মান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া খেলার মাঠ পুনরুদ্ধার এবং নতুন নতুন ক্রীড়াবিদ তৈরিতে কাজ করছে। প্রতিটি এলাকায় খেলার মাঠ থাকলে যুবসমাজ মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকবে। তাই তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে রাখতে এলাকাভিত্তিক খেলার মাঠ তৈরির বিকল্প নেই।”
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ফুটবল দলের বিপুলসংখ্যক সমর্থক অংশ নেন। পরে দুই দলের সমর্থকদের অংশগ্রহণে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এক এক হয়ে ম্যাচটি ড্র হয় । খেলাটি উপভোগ করতে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মাঠে ভিড় করেন।
আয়োজকরা জানান, বিশ্বকাপ কিংবা আন্তর্জাতিক বড় ফুটবল আসরকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই তারা এ ধরনের সম্প্রীতিমূলক আয়োজন করে থাকেন। তাদের মতে, খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। সমর্থনের ক্ষেত্রে মতপার্থক্য থাকলেও তা কখনো বিভেদ বা সংঘাতের কারণ হতে পারে না।
আয়োজকদের ভাষ্য, “কেউ আর্জেন্টিনা, কেউ ব্রাজিলের সমর্থক হতে পারেন। কিন্তু সবাই একই এলাকার বাসিন্দা এবং একই দেশের নাগরিক। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের চর্চাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
ভয়েস অব গুনাইগাছের চেয়ারম্যান বিপ্লব আনসারীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুরো আয়োজন সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের মতে, এমন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলবে এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
শাহিনুল ইসলাম লিটনঃ
সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নে ব্যতিক্রমধর্মী র্যালি ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছে সামাজিক সংগঠন ভয়েস অব গুনাইগাছ। আয়োজনে সহযোগিতা করে সাকসেস রেসিডেন্সিয়াল স্কুল।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় পুরো এলাকায়। সম্প্রীতির বার্তা বহনকারী র্যালিটি গুনাইগাছ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে ঢোল-তবলা, মাইকিং ও ঘোড়ার গাড়ির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের কাছে সামাজিক ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া সাইবার ফোর্স (জেসিএফ) রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম চিশতি শাহিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনসারী আইটির পরিচালক ও উলিপুর উপজেলা স্কাউটসের কমিশনার রফিকুল আনসারী, দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান এবং অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশরাফুল আলম চিশতি শাহিন বলেন, “বর্তমান সরকার ক্রীড়া ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের জন্য আলাদা পেশাগত সুযোগ ও সম্মান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া খেলার মাঠ পুনরুদ্ধার এবং নতুন নতুন ক্রীড়াবিদ তৈরিতে কাজ করছে। প্রতিটি এলাকায় খেলার মাঠ থাকলে যুবসমাজ মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকবে। তাই তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে রাখতে এলাকাভিত্তিক খেলার মাঠ তৈরির বিকল্প নেই।”
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ফুটবল দলের বিপুলসংখ্যক সমর্থক অংশ নেন। পরে দুই দলের সমর্থকদের অংশগ্রহণে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এক এক হয়ে ম্যাচটি ড্র হয় । খেলাটি উপভোগ করতে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মাঠে ভিড় করেন।
আয়োজকরা জানান, বিশ্বকাপ কিংবা আন্তর্জাতিক বড় ফুটবল আসরকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই তারা এ ধরনের সম্প্রীতিমূলক আয়োজন করে থাকেন। তাদের মতে, খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। সমর্থনের ক্ষেত্রে মতপার্থক্য থাকলেও তা কখনো বিভেদ বা সংঘাতের কারণ হতে পারে না।
আয়োজকদের ভাষ্য, “কেউ আর্জেন্টিনা, কেউ ব্রাজিলের সমর্থক হতে পারেন। কিন্তু সবাই একই এলাকার বাসিন্দা এবং একই দেশের নাগরিক। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের চর্চাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
ভয়েস অব গুনাইগাছের চেয়ারম্যান বিপ্লব আনসারীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুরো আয়োজন সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের মতে, এমন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলবে এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন