বুধবার, ২০ মে ২০২৬
বুধবার, ২০ মে ২০২৬
মানচিত্র

জুলাই শহীদ’ নাকি সাজানো গল্প? কুড়িগ্রামে ৩০ লাখ টাকার গেজেট ঘিরে বিস্ফোরক প্রশ্ন?



জুলাই শহীদ’ নাকি সাজানো গল্প? কুড়িগ্রামে ৩০ লাখ টাকার গেজেট ঘিরে বিস্ফোরক প্রশ্ন?

আশিকুর রহমান আশিক, নিজস্ব সংবাদদাতা: কুড়িগ্রামের ২৪ বছর বয়সী যুবক আশিকুর রহমানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণা করা হয়েছে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে। সরকারি গেজেটভুক্তির পাশাপাশি তার পরিবার পেয়েছে ৩০ লাখ টাকার অনুদান। কিন্তু অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ অসঙ্গতির চিত্র। অভিযোগ রয়েছে আন্দোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনো সম্পৃক্ততা না থাকা আশিকুরের মৃত্যু আসলে দীর্ঘদিনের ‘ব্রেন ইনফেকশন’ বা মস্তিষ্কজনিত জটিলতায় হলেও, সেটিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা নথিতে যেখানে ব্রেন ইনফেকশনের তথ্য উল্লেখ রয়েছে, সেখানে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেথ সার্টিফিকেটে রহস্যজনকভাবে যুক্ত করা হয় ছাত্র আন্দোলনে ‘মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত’ হওয়ার তথ্য। ঘটনাকে আরও বিতর্কিত করেছে একটি হত্যা মামলা। আশিকুরের মৃত্যুর প্রায় এক মাস দশ দিন পর কুড়িগ্রাম সদর থানায় দায়ের করা হয় মামলা, যেখানে ১০৪ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, সেই তালিকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তিনজন পেশাদার সাংবাদিকের নামও। সাংবাদিক আব্দুল খালেক ফারুক, ইউসুফ আলমগীর ও হুমায়ুনি কবীর সূর্য দাবি করেছেন তারা একটি পরিকল্পিত হয়রানির শিকার। অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের গত দেড় বছরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বহু মামলায় রয়েছে অসত্য তথ্য, সাজানো বয়ান ও প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত প্রক্রিয়া। এমনকি সংশ্লিষ্ট ওসির বিরুদ্ধেও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দাঁড় করানো, তদন্তে অসহযোগিতা এবং লাশ উত্তোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।

একটি মৃত্যু, একটি গেজেট, কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সুবিধা এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা সব মিলিয়ে এখন প্রশ্ন একটাই:

আপনার মতামত লিখুন

মানচিত্র

বুধবার, ২০ মে ২০২৬


জুলাই শহীদ’ নাকি সাজানো গল্প? কুড়িগ্রামে ৩০ লাখ টাকার গেজেট ঘিরে বিস্ফোরক প্রশ্ন?

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image

আশিকুর রহমান আশিক, নিজস্ব সংবাদদাতা: কুড়িগ্রামের ২৪ বছর বয়সী যুবক আশিকুর রহমানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণা করা হয়েছে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে। সরকারি গেজেটভুক্তির পাশাপাশি তার পরিবার পেয়েছে ৩০ লাখ টাকার অনুদান। কিন্তু অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ অসঙ্গতির চিত্র। অভিযোগ রয়েছে আন্দোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনো সম্পৃক্ততা না থাকা আশিকুরের মৃত্যু আসলে দীর্ঘদিনের ‘ব্রেন ইনফেকশন’ বা মস্তিষ্কজনিত জটিলতায় হলেও, সেটিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা নথিতে যেখানে ব্রেন ইনফেকশনের তথ্য উল্লেখ রয়েছে, সেখানে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেথ সার্টিফিকেটে রহস্যজনকভাবে যুক্ত করা হয় ছাত্র আন্দোলনে ‘মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত’ হওয়ার তথ্য। ঘটনাকে আরও বিতর্কিত করেছে একটি হত্যা মামলা। আশিকুরের মৃত্যুর প্রায় এক মাস দশ দিন পর কুড়িগ্রাম সদর থানায় দায়ের করা হয় মামলা, যেখানে ১০৪ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, সেই তালিকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তিনজন পেশাদার সাংবাদিকের নামও। সাংবাদিক আব্দুল খালেক ফারুক, ইউসুফ আলমগীর ও হুমায়ুনি কবীর সূর্য দাবি করেছেন তারা একটি পরিকল্পিত হয়রানির শিকার। অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের গত দেড় বছরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বহু মামলায় রয়েছে অসত্য তথ্য, সাজানো বয়ান ও প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত প্রক্রিয়া। এমনকি সংশ্লিষ্ট ওসির বিরুদ্ধেও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দাঁড় করানো, তদন্তে অসহযোগিতা এবং লাশ উত্তোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।

একটি মৃত্যু, একটি গেজেট, কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সুবিধা এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা সব মিলিয়ে এখন প্রশ্ন একটাই:


মানচিত্র

সম্পাদকঃ মোঃ ফারুক মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ মানচিত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত