আখতারুজ্জামান আসিফ ঢাকা:
লালমনিরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে “সীমান্ত আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্দোলন”।
শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি খান আসাদ সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের মুখপাত্র এম এন শাওন সাদেকী, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, খান রায়হানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী। তারা অবিলম্বে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
নেতারা আরও বলেন, বারবার সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকারের প্রতি অবমাননাকর। তারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বাড়িয়ে বাংলাদেশ সরকারকে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তারা।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
আখতারুজ্জামান আসিফ ঢাকা:
লালমনিরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে “সীমান্ত আগ্রাসন প্রতিরোধ আন্দোলন”।
শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি খান আসাদ সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের মুখপাত্র এম এন শাওন সাদেকী, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, খান রায়হানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী। তারা অবিলম্বে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
নেতারা আরও বলেন, বারবার সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকারের প্রতি অবমাননাকর। তারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বাড়িয়ে বাংলাদেশ সরকারকে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তারা।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আপনার মতামত লিখুন