আখতারুজ্জামান আসিফ, স্টাফ রিপোর্টার, চিলমারী (কুড়িগ্রাম):
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কবর খোদক ব্যক্তিদের মাঝে গোশত ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
চিলমারী সরকারি কলেজ মোড়, সারা হাসপাতাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে চিলমারী উপজেলার রমনা ও থানাহাট ইউনিয়নের প্রায় ৫০ জন কবর খোদককে গোশত ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক জনতার বাণীর চিলমারী প্রতিনিধি আবু ওবায়দুল হক খাজা, দৈনিক মানবজমিনের চিলমারী প্রতিনিধি সাওরাত হোসেন সোহেল, আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশন ও আলো ছায়া সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি সিদ্দিকা রেশমা এবং আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান আসিফ।
গোশত বিতরণকালে সাওরাত হোসেন সোহেল বলেন, “আলো ছায়া সমাজকল্যাণ সংস্থা যে উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমাদের মৃত্যুর পর প্রথম যে কাজটি করা হয়, সেটি হলো কবর খনন। এ কাজ সবাই করতে পারেন না। এতে অনেক সময় ও পরিশ্রম লাগে। অথচ যারা কবর খনন করেন, তারা অনেক সময় এর বিনিময়ে কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেন না। কিন্তু আমরা সমাজ হিসেবে তাদের যথাযথ মূল্যায়নও করি না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।” তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের কবর খোদকদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
আবু ওবায়দুল হক খাজা বলেন, “আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশন কবর খোদকদের সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি লাশ গোসল করানো, কাফনের কাপড় পরিধান করানো এবং মরদেহকে সম্মানের সঙ্গে ইসলামী বিধান অনুযায়ী দাফনের বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারে। একই সঙ্গে কবর খোদকদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, যেমন—কোদাল, খন্তি ও শাবল প্রদান করারও উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান আসিফ বলেন, “সংগঠনটি মানবতার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের কিশোরী ও যুবকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। বিধবা ও অসহায় নারীদের জন্য সেলাই, নকশিকাঁথা, ব্লক-বাটিকসহ প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।”
গোশত বিতরণ কর্মসূচিতে অর্থায়ন করেন মাওলানা ইমাম নুরুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা, আর রহমান এডুকেশন ট্রাস্ট এবং জুনায়েদ ওয়াহিদ।
বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন মাহবুবুর রহমান, উপ-পরিচালক, রাজউক; এবিএম শামীম (এমএসসি, ইউকে); প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক এবং সিদ্দিকা রেশমা।
অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশন এবং বাস্তবায়নে ছিল আলো ছায়া সমাজকল্যাণ সংস্থা।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
আখতারুজ্জামান আসিফ, স্টাফ রিপোর্টার, চিলমারী (কুড়িগ্রাম):
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কবর খোদক ব্যক্তিদের মাঝে গোশত ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
চিলমারী সরকারি কলেজ মোড়, সারা হাসপাতাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে চিলমারী উপজেলার রমনা ও থানাহাট ইউনিয়নের প্রায় ৫০ জন কবর খোদককে গোশত ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক জনতার বাণীর চিলমারী প্রতিনিধি আবু ওবায়দুল হক খাজা, দৈনিক মানবজমিনের চিলমারী প্রতিনিধি সাওরাত হোসেন সোহেল, আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশন ও আলো ছায়া সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি সিদ্দিকা রেশমা এবং আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান আসিফ।
গোশত বিতরণকালে সাওরাত হোসেন সোহেল বলেন, “আলো ছায়া সমাজকল্যাণ সংস্থা যে উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমাদের মৃত্যুর পর প্রথম যে কাজটি করা হয়, সেটি হলো কবর খনন। এ কাজ সবাই করতে পারেন না। এতে অনেক সময় ও পরিশ্রম লাগে। অথচ যারা কবর খনন করেন, তারা অনেক সময় এর বিনিময়ে কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেন না। কিন্তু আমরা সমাজ হিসেবে তাদের যথাযথ মূল্যায়নও করি না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।” তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের কবর খোদকদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
আবু ওবায়দুল হক খাজা বলেন, “আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশন কবর খোদকদের সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি লাশ গোসল করানো, কাফনের কাপড় পরিধান করানো এবং মরদেহকে সম্মানের সঙ্গে ইসলামী বিধান অনুযায়ী দাফনের বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারে। একই সঙ্গে কবর খোদকদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, যেমন—কোদাল, খন্তি ও শাবল প্রদান করারও উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান আসিফ বলেন, “সংগঠনটি মানবতার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের কিশোরী ও যুবকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। বিধবা ও অসহায় নারীদের জন্য সেলাই, নকশিকাঁথা, ব্লক-বাটিকসহ প্রায় ১০টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।”
গোশত বিতরণ কর্মসূচিতে অর্থায়ন করেন মাওলানা ইমাম নুরুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা, আর রহমান এডুকেশন ট্রাস্ট এবং জুনায়েদ ওয়াহিদ।
বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন মাহবুবুর রহমান, উপ-পরিচালক, রাজউক; এবিএম শামীম (এমএসসি, ইউকে); প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক এবং সিদ্দিকা রেশমা।
অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল আলো ছায়া যুব ফাউন্ডেশন এবং বাস্তবায়নে ছিল আলো ছায়া সমাজকল্যাণ সংস্থা।

আপনার মতামত লিখুন