বলিউডে অনেক অভিনেতাই একসময় দারুণ সম্ভাবনা নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। কেউ সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বড় তারকা হয়ে ওঠেন, আবার কেউ জনপ্রিয়তার শুরুতেই হারিয়ে যান আলো থেকে। নকুল কাপুর তেমনই এক অভিনেতা। ২০০২ সালে একটি সিনেমা ও একটি জনপ্রিয় গান তাকে রাতারাতি পরিচিত করে তুলেছিল। সে সময় তার চেহারা ও ব্যক্তিত্ব দেখে অনেকেই তাকে বলিউডের নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনাময় ‘চকলেট বয়’ হিসেবে দেখেছিলেন।
কিন্তু সেই জনপ্রিয়তার পথ দীর্ঘ হয়নি। প্রথম সিনেমার পর বড় পর্দায় আর নিয়মিত দেখা যায়নি তাকে। একসময় অভিনয়জগত থেকেই নিজেকে সরিয়ে নেন নকুল। এরপর বেছে নেন একেবারে অন্য জীবন। বর্তমানে কানাডায় যোগচর্চা ও আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে যুক্ত এই অভিনেতা।
এক গানেই বদলে যায় পরিচয়
২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তুম সে অচ্ছা কৌন হ্যায়’ সিনেমার ‘আঁখ হ্যায় ভরী ভরী’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। গানটির সুবাদে নকুল কাপুরের পরিচিতিও ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। তরুণ দর্শকদের মধ্যে তার ‘চকলেট বয়’ ইমেজ তৈরি হয়।
শাহরুখ-সালমানদের সময়েই বলিউডে আগমন
২০০০-এর দশকের শুরুতে শাহরুখ খান, সালমান খান ও আমির খানরা বলিউডে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে ফেলেছিলেন। একই সময়ে নতুন প্রজন্মের বেশ কয়েকজন অভিনেতাও দর্শকদের নজর কাড়ার চেষ্টা করছিলেন। তাদের মধ্যেই ছিলেন নকুল কাপুর।
দিল্লিতে জন্ম নেওয়া নকুলের জন্ম ১৯৭৪ সালের ১১ জুলাই। অভিনয়ে আসার আগে বিজ্ঞাপন ও মডেলিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। একটি ঠান্ডা পানীয়ের বিজ্ঞাপন তাকে বড় পরিসরে পরিচিত করে। পরে ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে একাধিক মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেন তিনি।
অভিনয়ের আগে অন্য পরিচয়ও ছিল
নকুল শুধু মডেলিং বা অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। খেলাধুলা ও অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের প্রতিও তার আগ্রহ ছিল। তিনি ডাইভিংয়ে দক্ষ ছিলেন এবং জাতীয় পর্যায়েও সাফল্য পেয়েছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘তুম সে অচ্ছা কৌন হ্যায়’ দিয়েই বড় পর্দায় অভিষেক
পরিচালক দীপক আনন্দের ‘তুম সে অচ্ছা কৌন হ্যায়’ সিনেমায় কিম শর্মা ও আরতি ছাবরিয়ার সঙ্গে অভিনয় করেন নকুল কাপুর। সিনেমাটির গান দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয় হওয়ার

