মৃত্যুর ১৭ বছর পরও মাইকেল জ্যাকসনের আয় থামেনি, তৈরি হয়েছে বিশাল সাম্রাজ্য
গান, কপিরাইট, সিনেমা, মঞ্চ ও লাইসেন্সিং—মৃত্যুর পরও ‘কিং অব পপ’-এর নাম থেকে আসছে বিপুল অর্থ
মাইকেল জ্যাকসন মারা গেছেন ১৭ বছর আগে। কিন্তু তাঁর মৃত্যু তাঁর আয়ের পথ বন্ধ করতে পারেনি। বরং মৃত্যুর পর তাঁর গান, সংগীতের অধিকার, সিনেমা, মঞ্চনাট্য, লাইভ শো ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তিকে ঘিরে এমন একটি বিশাল অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি হয়েছে, যা তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা মৃত তারকাদের একজন করে রেখেছে।
ফোর্বসের হিসাবে, ২০২৫ সালে মাইকেল জ্যাকসনের এস্টেট থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। মৃত্যুর পর থেকে তাঁর এস্টেটের মোট আয় ৩৫০ কোটি ডলারেরও বেশি বলে ফোর্বসের হিসাবে উঠে এসেছে।
এক নজরে মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর পরের অর্থনীতি
- মৃত্যু: ২৫ জুন ২০০৯
- মৃত্যুর সময় বয়স: ৫০ বছর
- মৃত্যুর পর মোট আয়: ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি
- ২০২৫ সালের আয়: প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার
- Sony-র সঙ্গে ২০২৪ সালের চুক্তি: প্রায় ৬০ কোটি ডলার
- ‘This Is It’ সিনেমার বিশ্বব্যাপী আয়: প্রায় ২৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার
মৃত্যুর পর শুরু হয় ‘দ্বিতীয় ক্যারিয়ার’
মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের শেষ সময়টা ছিল নানা ব্যক্তিগত ও আর্থিক জটিলতায় ভরা। ২০০৯ সালের ২৫ জুন তিনি মারা যাওয়ার সময় বিপুল ঋণের চাপেও ছিলেন। বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, তাঁর দেনার পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৫ কোটি ডলার। একই সময়ে তাঁর হাতে ছিল মূল্যবান সংগীতসম্পদ, কপিরাইট এবং ভবিষ্যৎ আয়ের বিশাল সম্ভাবনা।
মৃত্যুর পর তাঁর এস্টেটের ব্যবস্থাপকেরা সেই সম্পদকে নতুনভাবে কাজে লাগান। ফলাফল হলো—যে শিল্পী জীবদ্দশায় বিপুল অর্থ উপার্জন করেছিলেন, মৃত্যুর পরও তাঁর নামকে কেন্দ্র করে আয় আরও বহুমুখী হয়ে ওঠে।
মাইকেলের আয়ের বড় উৎসগুলো
- গানের রয়্যালটি
- সংগীতের কপিরাইট
- স্ট্রিমিং
- সিনেমা ও তথ্যচিত্র
- মিউজিক্যাল ও লাইভ শো
- লাইসেন্সিং
- মার্চেন্ডাইজ ও ব্র্যান্ড ব্যবহার
প্রথম বড় সাফল্য ‘This Is It’
মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর পর তাঁর অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যের প্রথম বড় ধাক্কাটি আসে ‘Michael Jackson's This Is It’ সিনেমার মাধ্যমে। লন্ডনে তাঁর পরিকল্পিত কনসার্ট সিরিজের প্রস্তুতি ও মহড়ার দৃশ্য নিয়ে তৈরি এই চলচ্চিত্রটি মৃত্যুর কয়েক মাস পর মুক্তি পায়।
সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার আয় করে। বক্স অফিসের হিসাবে এর আন্তর্জাতিক বাজার থেকেই এসেছে প্রায় ১৯ কোটি ৫৯ লাখ ডলার।
ভক্তদের কাছে ছবিটি ছিল প্রিয় শিল্পীকে শেষবারের মতো মঞ্চ প্রস্তুতির সময় দেখার সুযোগ। ব্যবসায়িক দিক থেকে এটি আরও একটি বিষয় প্রমাণ করে—মাইকেল জ্যাকসনের নাম তাঁর মৃত্যুর পরও বিশাল বাণিজ্যিক শক্তি ধরে রেখেছে।
মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর পর প্রথম বড় বাণিজ্যিক সাফল্য → ‘This Is It’
বিটলসের গানের কপিরাইট ছিল বড় বিনিয়োগ
মাইকেল জ্যাকসনের ব্যবসায়িক দূরদর্শিতার সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণগুলোর একটি ছিল সংগীতের কপিরাইট কেনা। ১৯৮৫ সালে তিনি প্রায় ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার দিয়ে ATV নামের একটি সংগীত ক্যাটালগ কিনেছিলেন। এতে প্রায় চার হাজার গানের অধিকার ছিল।
এই ক্যাটালগে জন লেনন ও পল ম্যাককার্টনির লেখা বহু বিটলস গানের অধিকারও ছিল। সে সময় এই বিনিয়োগকে অনেকের কাছে অত্যন্ত ব্যয়বহুল মনে হলেও পরে এটি মাইকেলের অন্যতম মূল্যবান ব্যবসায়িক সম্পদে পরিণত হয়।
পরবর্তী সময়ে Sony-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংগীতসম্পদের মূল্য আরও বাড়ে। ২০১৬ সালে মাইকেলের এস্টেট তাদের অংশ Sony-র কাছে বিক্রি করে প্রায় ৭৫ কোটি ডলারে।
২০২৪ সালে আবারও শত শত কোটি ডলারের চুক্তি
মাইকেল জ্যাকসনের সংগীতসম্পদের মূল্য যে মৃত্যুর বহু বছর পরও কমেনি, তার বড় প্রমাণ আসে ২০২৪ সালে। তাঁর এস্টেট সংগীতসম্পদের একটি ৫০ শতাংশ অংশীদারত্ব Sony-র কাছে প্রায় ৬০ কোটি ডলারে বিক্রি করে।
এই লেনদেনে মাইকেলের নিজস্ব সংগীত, মাস্টার রেকর্ডিং ও প্রকাশনা-সংক্রান্ত সম্পদের অংশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। চুক্তিটি সংগীত ক্যাটালগের বাজারমূল্য কতটা বেড়েছে, তারও একটি বড় উদাহরণ।
একটি হিসাব
১৯৮৫ সালে প্রায় ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের বিনিয়োগ থেকে শুরু হওয়া সংগীতসম্পদের ব্যবসা কয়েক দশক পর শত শত কোটি ডলারের লেনদেনে পৌঁছেছে। এটি সংগীত কপিরাইটকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে দেখার অন্যতম আলোচিত উদাহরণ।
গান এখনো আয়ের বড় উৎস
মাইকেল জ্যাকসনের আয়ের সবচেয়ে স্থায়ী উৎস তাঁর গান। ‘Thriller’, ‘Billie Jean’, ‘Beat It’, ‘Bad’সহ অসংখ্য গান এখনো বিশ্বজুড়ে শোনা হয়। সময় বদলেছে, শ্রোতাদের মাধ্যম বদলেছে, কিন্তু গানগুলোর জনপ্রিয়তা পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি।
আগে একটি গান থেকে আয় আসত মূলত রেকর্ড, ক্যাসেট বা সিডি বিক্রির মাধ্যমে। এখন সেই জায়গা নিয়েছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও স্ট্রিমিং। ফলে কয়েক দশক আগের একটি গানও নতুন শ্রোতার কাছে পৌঁছালে তার স্বত্বাধিকারীদের জন্য নতুন রয়্যালটি তৈরি হতে পারে।
এই পরিবর্তন মাইকেল জ্যাকসনের মতো পুরোনো প্রজন্মের শিল্পীদের সংগীতকে নতুন অর্থনৈতিক জীবন দিয়েছে।
মঞ্চেও বেঁচে আছে মাইকেলের নাম
মাইকেল জ্যাকসনের আয় শুধু রেকর্ডিং বা স্ট্রিমিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর জীবন ও সংগীতকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে মঞ্চনাট্য ও স্থায়ী শো।
ব্রডওয়ের ‘MJ: The Musical’ মাইকেলের জীবন ও সংগীতকে মঞ্চে তুলে ধরেছে। ২০২২ সালে শুরু হওয়ার পর এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নতুন প্রযোজনার পথ তৈরি করেছে। ফোর্বসের হিসাবে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রযোজনা মিলিয়ে এই মিউজিক্যালের টিকিট বিক্রির পরিমাণ শত শত মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
লাস ভেগাসে Cirque du Soleil-এর ‘Michael Jackson ONE’ শোও দীর্ঘদিন ধরে দর্শক টানছে। ২০২৬ সালেও মাইকেলকে ঘিরে এই লাইভ বিনোদন ব্যবসা চালু রয়েছে।
শুধু গান নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ ব্র্যান্ড
মাইকেল জ্যাকসনের ব্যবসায়িক শক্তির জায়গাটি হলো—তাঁর পরিচিতি শুধু সংগীতশিল্পী হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর নাচ, পোশাক, মিউজিক ভিডিও, মঞ্চ পরিবেশনা ও ব্যক্তিত্ব মিলিয়ে একটি স্বতন্ত্র বৈশ্বিক ব্র্যান্ড তৈরি হয়েছে।
২০২৬ সালের ‘Michael’ সিনেমা
মাইকেল জ্যাকসনের উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ‘Michael’ জীবনীচিত্রটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ছবিতে মাইকেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁর ভাতিজা Jaafar Jackson এবং পরিচালনা করেছেন Antoine Fuqua।
ছবিটি শুধু একজন কিংবদন্তি শিল্পীর জীবন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র নয়; এটি তাঁর সংগীত ও ব্র্যান্ডের জন্যও নতুন করে আগ্রহ তৈরির সুযোগ তৈরি করেছে। একটি জনপ্রিয় জীবনীচিত্র মুক্তির পর সংশ্লিষ্ট শিল্পীর পুরোনো গান, অ্যালবাম, মার্চেন্ডাইজ ও অন্যান্য কনটেন্টের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়তে পারে।
২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন বক্স অফিস প্রতিবেদনে ছবিটির আয় ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেন মৃত্যুর পরও এত আয়?
মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর পরও তাঁর আয় অব্যাহত থাকার পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করেছে। প্রথমত, তাঁর সংগীতের জনপ্রিয়তা প্রজন্ম পেরিয়ে টিকে আছে। দ্বিতীয়ত, তিনি জীবদ্দশায় মূল্যবান সংগীতসম্পদ ও কপিরাইটের মালিক হয়েছিলেন।
তৃতীয়ত, তাঁর এস্টেট সেই সম্পদকে শুধু সংরক্ষণ করেনি; নতুন নতুন ব্যবসায়িক ব্যবস্থার মাধ্যমে তার মূল্য বাড়িয়েছে। চতুর্থত, ডিজিটাল স্ট্রিমিং পুরোনো সংগীতের জন্য নতুন আয়ের পথ তৈরি করেছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নস্টালজিয়া। মাইকেল জ্যাকসনের গান ও নাচ কয়েক প্রজন্মের মানুষের ব্যক্তিগত স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এই আবেগই নতুন করে তাঁকে আবিষ্কারের প্রবণতা তৈরি করে।
জীবিত শিল্পীর চেয়েও শক্তিশালী ব্র্যান্ড?
মাইকেল জ্যাকসনের ক্ষেত্রে মৃত্যুর পরও আয় কমে যাওয়ার বদলে নতুন খাত তৈরি হয়েছে। গান, সিনেমা, মিউজিক্যাল, লাইভ শো ও কপিরাইট—সব মিলিয়ে তাঁর উত্তরাধিকার একটি বহুমুখী বিনোদন ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।
ঋণের বোঝা থেকে বিলিয়ন ডলারের সম্পদ
মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর সময়কার আর্থিক অবস্থা এবং পরবর্তী সময়ের চিত্রের মধ্যে পার্থক্য অত্যন্ত বড়। মৃত্যুর সময় তাঁর ওপর বিপুল দেনা থাকলেও তাঁর সংগীতসম্পদ ও বাণিজ্যিক অধিকার ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মৃত্যুর পর সেগুলোকে পরিকল্পিতভাবে পরিচালনা করার ফলে একদিকে ঋণ ও আর্থিক দায় সামলানো সম্ভব হয়েছে, অন্যদিকে নতুন আয় তৈরি হয়েছে।
ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ সালের মৃত্যুর পর থেকে মাইকেল জ্যাকসনের এস্টেটের আয় ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি। ২০২৫ সালে ১০ কোটি ৫০ লাখ ডলারের আয় নিয়ে তিনিই মৃত তারকাদের মধ্যে সর্বোচ্চ আয়কারী ছিলেন।
মাইকেলের উত্তরাধিকার এখন একটি ব্যবসায়িক মডেল
মাইকেল জ্যাকসনের গল্পটি শুধু একজন সংগীত কিংবদন্তির জনপ্রিয়তার গল্প নয়। এটি দেখায়, একজন শিল্পীর তৈরি মেধাস্বত্ব মৃত্যুর পরও কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি সম্পদে পরিণত হতে পারে।
একটি সফল গান বহু দশক ধরে রয়্যালটি দিতে পারে। একটি কপিরাইট ক্যাটালগ কয়েক দশক পর শত শত কোটি ডলারের সম্পদে পরিণত হতে পারে। একটি সিনেমা পুরোনো সংগীতকে আবার নতুন শ্রোতার কাছে নিয়ে যেতে পারে। মঞ্চনাট্য ও লাইভ শো একই ব্র্যান্ডকে নতুন বাজারে পৌঁছে দিতে পারে।
মাইকেল জ্যাকসনের এস্টেট ঠিক এই সমন্বিত মডেলটিই কাজে লাগিয়েছে বলে তাঁর মৃত্যুর পরের আয়ের ধারাবাহিকতা থেকে বোঝা যায়।
জন্মদিনেও আলোচনায় ‘কিং অব পপ’
২৯ আগস্ট মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন। ১৯৫৮ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের গ্যারি শহরে জন্মেছিলেন মাইকেল জোসেফ জ্যাকসন। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পরবর্তী সময়ে তিনি বিশ্বসংগীতের অন্যতম প্রভাবশালী শিল্পীতে পরিণত হন।
তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরিচয় অবশ্য শুধু রেকর্ড বিক্রি বা আয় নয়। নাচ, পোশাক, মিউজিক ভিডিও ও মঞ্চ পরিবেশনায় তিনি এমন একটি নিজস্ব ধারা তৈরি করেছিলেন, যা পরবর্তী প্রজন্মের অসংখ্য শিল্পীকে প্রভাবিত করেছে।
তাই তাঁর মৃত্যুর ১৭ বছর পরও মাইকেল জ্যাকসনের নাম নতুন করে বাণিজ্যিক মূল্য তৈরি করছে—এটি একই সঙ্গে তাঁর সাংস্কৃতিক প্রভাব ও ব্যবসায়িক উত্তরাধিকারের প্রমাণ।
শেষ কথা
মাইকেল জ্যাকসন নেই, কিন্তু তাঁর তৈরি সম্পদ এখনো সক্রিয়। মৃত্যুর পর ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি আয়, বছরে ১০ কোটি ডলারের বেশি রাজস্ব, শত শত কোটি ডলারের কপিরাইট চুক্তি এবং নতুন সিনেমা—সবকিছু মিলিয়ে ‘কিং অব পপ’-এর উত্তরাধিকার আজ একটি বিশাল বৈশ্বিক বিনোদন ব্যবসা। তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হয়তো শুধু তিনি কত গান বিক্রি করেছেন তা নয়; বরং তাঁর তৈরি সংগীত ও সংস্কৃতি মৃত্যুর পরও কীভাবে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে এবং অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি করছে, সেটিই সবচেয়ে বিস্ময়কর।
সারসংক্ষেপ: মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর পর তাঁর এস্টেটের আয় থামেনি। সংগীতের রয়্যালটি, কপিরাইট, Sony-র সঙ্গে বড় চুক্তি, সিনেমা, মিউজিক্যাল ও লাইভ শোর মাধ্যমে তাঁর নাম এখনো বিপুল অর্থ তৈরি করছে। ২০২৫ সালেও তিনি মৃত তারকাদের মধ্যে সর্বোচ্চ আয়কারী ছিলেন।
তথ্যসূত্র: Forbes, Reuters, Box Office Mojo এবং প্রকাশিত আন্তর্জাতিক বিনোদন-বিষয়ক প্রতিবেদন।

