মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
বিরামপুরের রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ| বিরামপুর উপজেলার রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভুত ভাবে দাতাসদস্য নিযুক্তের তদন্ত চেয়ে দুই উত্তরাধিকারী গত রবিবার (২৬ জুলাই) বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন|
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট মোঃ আব্দুল খালেক মন্ডল ও মোঃ খলিলুর রহমান মন্ডল লিখিত আবেদনে জানান, তাদের দাদা মৃত: আব্দুর রহমান মন্ডল রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে ৪০ শতাংশ জমি দান করেন| জীবিতকালে তিনি ঐ বিদ্যালয়ে জমিদাতা সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার মৃত্যুর পর তার ছেলে আলিম উদ্দিন মন্ডল ৩০ বছর যাবৎ দাতাসদস্য ও ১৫ বছর যাবৎ সভাপতি ছিলেন|
আলিম উদ্দিন মন্ডল মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে মোঃ আব্দুল খালেক মন্ডল ও মোঃ খলিলুর রহমান মন্ডলের মধ্যে কাউকে দাতাসদস্য না করে প্রধান শিক্ষক বিধিবহির্ভুতভাবে অন্য এক ব্যক্তিকে দাতাসদস্য হিসাবে নিযুক্ত করে ৯ বছর ধরে অবৈধ ও গোপন কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয় পরিচালনা করেছেন|
আবেদনকারীরা প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অনিয়মের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জমিদাতার ˆবধ উত্তরাধিকারীকে দাতাসদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন পূর্ণাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি গঠণের দাবি জানিয়েছেন|
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনহাজুল ইসলাম (রওশন) বলেন, জমিদাতার একাধিক উত্তরাধিকার থাকায় একজনকে নির্বাচনের জন্য উপজেলা শিক্ষা কমিটিকে অবগত করা হয়েছে| এবার প্রকাশ্যভাবে নতুন ম্যানেজিং গঠণ করা হবে|
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুনা লায়লা বলেন, অভিযোগপত্র পেয়েছি| উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায় বিষয়টি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে|

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
বিরামপুরের রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ| বিরামপুর উপজেলার রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভুত ভাবে দাতাসদস্য নিযুক্তের তদন্ত চেয়ে দুই উত্তরাধিকারী গত রবিবার (২৬ জুলাই) বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন|
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট মোঃ আব্দুল খালেক মন্ডল ও মোঃ খলিলুর রহমান মন্ডল লিখিত আবেদনে জানান, তাদের দাদা মৃত: আব্দুর রহমান মন্ডল রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে ৪০ শতাংশ জমি দান করেন| জীবিতকালে তিনি ঐ বিদ্যালয়ে জমিদাতা সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার মৃত্যুর পর তার ছেলে আলিম উদ্দিন মন্ডল ৩০ বছর যাবৎ দাতাসদস্য ও ১৫ বছর যাবৎ সভাপতি ছিলেন|
আলিম উদ্দিন মন্ডল মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে মোঃ আব্দুল খালেক মন্ডল ও মোঃ খলিলুর রহমান মন্ডলের মধ্যে কাউকে দাতাসদস্য না করে প্রধান শিক্ষক বিধিবহির্ভুতভাবে অন্য এক ব্যক্তিকে দাতাসদস্য হিসাবে নিযুক্ত করে ৯ বছর ধরে অবৈধ ও গোপন কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয় পরিচালনা করেছেন|
আবেদনকারীরা প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অনিয়মের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জমিদাতার ˆবধ উত্তরাধিকারীকে দাতাসদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন পূর্ণাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি গঠণের দাবি জানিয়েছেন|
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনহাজুল ইসলাম (রওশন) বলেন, জমিদাতার একাধিক উত্তরাধিকার থাকায় একজনকে নির্বাচনের জন্য উপজেলা শিক্ষা কমিটিকে অবগত করা হয়েছে| এবার প্রকাশ্যভাবে নতুন ম্যানেজিং গঠণ করা হবে|
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুনা লায়লা বলেন, অভিযোগপত্র পেয়েছি| উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায় বিষয়টি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে|

আপনার মতামত লিখুন