নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার কামাল খামার ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও প্রতিষ্ঠানে অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগে ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়েরের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মাদ্রাসার পদত্যাগকারী গভর্নিং বডির সদস্যরা।
অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সোমবার (১৩ জুলাই) উলিপুরে পুনরায় সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নিং বডির সদস্য ও সিনিয়র শিক্ষক আলহাজ্ব মো. মাসুদ আলী। শিক্ষক প্রতিনিধি মাওলানা আব্দুল মান্নান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন
মোঃ শামসুল আলম সাবেক বিদ্যোৎসাহী প্রতিনিধি মোঃ আলতাব হোসেন এবতেদায়ী সহকারী শিক্ষক
মোঃ আব্দুর শামাদ
অফিস সহায়ক সহো আরো অনেকে।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কামাল খামার ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ লিয়াকত আলী'র বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য এবং প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে দুই মাস আগে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন বা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
তাদের অভিযোগ, গভর্নিং বডিকে উপেক্ষা করে অধ্যক্ষ এককভাবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এছাড়া গভর্নিং বডির সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনারও অভিযোগ তোলা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ লিয়াকত হোসেনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার কামাল খামার ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও প্রতিষ্ঠানে অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগে ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়েরের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মাদ্রাসার পদত্যাগকারী গভর্নিং বডির সদস্যরা।
অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সোমবার (১৩ জুলাই) উলিপুরে পুনরায় সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নিং বডির সদস্য ও সিনিয়র শিক্ষক আলহাজ্ব মো. মাসুদ আলী। শিক্ষক প্রতিনিধি মাওলানা আব্দুল মান্নান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন
মোঃ শামসুল আলম সাবেক বিদ্যোৎসাহী প্রতিনিধি মোঃ আলতাব হোসেন এবতেদায়ী সহকারী শিক্ষক
মোঃ আব্দুর শামাদ
অফিস সহায়ক সহো আরো অনেকে।
লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কামাল খামার ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ লিয়াকত আলী'র বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য এবং প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে দুই মাস আগে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন বা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
তাদের অভিযোগ, গভর্নিং বডিকে উপেক্ষা করে অধ্যক্ষ এককভাবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এছাড়া গভর্নিং বডির সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনারও অভিযোগ তোলা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ লিয়াকত হোসেনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন