নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক ‘কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি এ্যাওয়ার্ড - ২০২৬’ লাভ করেছেন কুড়িগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মঈনুল হাসান। গত ১৩ জুন ২০২৬, শনিবার বিকেলে ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচা মিলনায়তনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে তাঁকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ ঝংকার শিল্পীগোষ্ঠী’ এবং ‘আলোকিত মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’-এর যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও আমন্ত্রিত গুণীজনদের উপস্থিতিতে ড. মো. মঈনুল হাসানের হাতে এই সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ঝংকার শিল্পীগোষ্ঠী-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আর. কে. রিপন এবং সভাপতি মো. ওমর আলী স্বাক্ষরিত সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা ক্ষেত্রে ড. মো. মঈনুল হাসানের এই অসামান্য কৃতিত্বের জন্য তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করা হলো এবং তাঁর এই মহতী কর্মকাণ্ড দেশ ও জাতির অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির পথ উন্মোচনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
পুরস্কার প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় ড. মো. মঈনুল হাসান মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “যেকোনো স্বীকৃতিই কাজের গতি ও দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দেয়। মফস্বল অঞ্চলের নারী শিক্ষার প্রসারে এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রকৃত শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আমি আজীবন কাজ করে যেতে চাই। এই অর্জন আমাকে আগামীতে আরও নিষ্ঠার সাথে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকতে অনুপ্রাণিত করবে।”
ড. মো. মঈনুল হাসানের এই গৌরবময় অর্জন কুড়িগ্রাম জেলার শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নকে আরও বেগবান করবে বলে আমরা আশা করি।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানজনক ‘কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি এ্যাওয়ার্ড - ২০২৬’ লাভ করেছেন কুড়িগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মঈনুল হাসান। গত ১৩ জুন ২০২৬, শনিবার বিকেলে ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচা মিলনায়তনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে তাঁকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ ঝংকার শিল্পীগোষ্ঠী’ এবং ‘আলোকিত মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’-এর যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও আমন্ত্রিত গুণীজনদের উপস্থিতিতে ড. মো. মঈনুল হাসানের হাতে এই সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ঝংকার শিল্পীগোষ্ঠী-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আর. কে. রিপন এবং সভাপতি মো. ওমর আলী স্বাক্ষরিত সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা ক্ষেত্রে ড. মো. মঈনুল হাসানের এই অসামান্য কৃতিত্বের জন্য তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করা হলো এবং তাঁর এই মহতী কর্মকাণ্ড দেশ ও জাতির অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির পথ উন্মোচনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
পুরস্কার প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় ড. মো. মঈনুল হাসান মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “যেকোনো স্বীকৃতিই কাজের গতি ও দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দেয়। মফস্বল অঞ্চলের নারী শিক্ষার প্রসারে এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রকৃত শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আমি আজীবন কাজ করে যেতে চাই। এই অর্জন আমাকে আগামীতে আরও নিষ্ঠার সাথে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকতে অনুপ্রাণিত করবে।”
ড. মো. মঈনুল হাসানের এই গৌরবময় অর্জন কুড়িগ্রাম জেলার শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নকে আরও বেগবান করবে বলে আমরা আশা করি।

আপনার মতামত লিখুন