প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
ফুলবাড়ীতে ৩০ বছর ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আলোর পথ দেখাচ্ছে আল-হেরা জান্নি বরকতিয়া লিল্লাহ বোর্ডিং ও এতিমখানা॥
মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধিদিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার গঙ্গাপুর-শংকরপুর এলাকায় অবস্থিত আল-হেরা জান্নি বরকতিয়া লিল্লাহ বোর্ডিং ও এতিমখানা তিন দশক ধরে এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আশ্রয় ও শিক্ষার সুযোগ দিয়ে আসছে|প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের দাবি এতিম শিশুদের আশ্রয়স্থল ধ্বংশের জন্য মাঠে নেমেছে একটি কূচক্রি মহল| মাদ্রাসাটির মহাতামিম হাফেজ আবুল হোসেন জানানা, জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ এখন প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে|প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে মাত্র আট শতক জমির ওপর একটি টিনশেড ঘরে এতিমখানাটির কার্যক্রম শুরু হয়| বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নিজ¯^ ৫৩ শতক জমি রয়েছে| সেখানে তিনটি পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে| বর্তমানে এতিমখানায় নিয়মিত ৭০ থেকে ৮০ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করে|এতিমখানার মহাতামিম হাফেজ মো. আবুল হোসেন বলেন, বর্তমান বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি এবং তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মরহুম হাচান উদ্দিন মাস্টারের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল| এ কারণে গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠানটি কোনো সরকারি অনুদান পায়নি| বর্তমানে সরকারি ক্যাপিটেশন অনুদান শিক্ষার্থীদের মাসিক ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়| ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এতিমখানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে|ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রসঙ্গে হাফেজ মো. আবুল হোসেন বলেন, তাঁর সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি মহল প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে|স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এতিমখানাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এলাকার এতিম, অসহায় ও দরিদ্র শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে উঠেছে| যেসব শিশু পিতামাতা হারিয়েছে বা পারিবারিক কারণে অবহেলিত, তাদের লালন-পালন ও শিক্ষার দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি| তারা প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন|
কপিরাইট © ২০২৬ মানচিত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত