প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
চিলমারীতে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের ঈদ উৎসবের অর্থ প্রাপ্তিতে বিড়ম্বনা: দুঃস্থ, অসহায় ও এতিমরা বঞ্চিত
আনোয়ারুল ইসলাম, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:ঈদ উৎসব পালনের জন্য অসহায়, এতিম ও দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের অর্থ উপজেলা প্রশাসন থেকে গত ২৪/০৫/২০২৬ ইং তারিখ বুধবার পর্যন্ত মাত্র ১২ থেকে ১৫ জনকে চেক প্রদান করা হয়েছে। সরেজমিনে ২৫/০৫/২০২৬ ইং তারিখে বন্ধের দিনেও উক্ত চেক উপজেলা প্রশাসন অফিস থেকে বিতরণ করতে দেখা যায়। সেখানে চেক বিতরণকারী কর্মচারীরা জানান, আজ চেক বিতরণ করা হচ্ছে, বাকি চেক ঈদের পর বিতরণ করা হবে।সূত্রমতে জানা যায়, জেলা প্রশাসক অফিস, কুড়িগ্রাম থেকে গত ২৪/০৫/২০২৬ ইং তারিখে চেক প্রাপ্তিতে বিলম্ব হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শেষ সময়ে সুবিধাভোগীদের নামে চেক ইস্যু করতে দেরি হয়। কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত ১০ লক্ষ টাকা বিতরণের জন্য দেওয়া হয়েছে। ভগ্নাংশ অনুযায়ী চিলমারী উপজেলার জন্য তিন লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।চিলমারী উপজেলা প্রশাসন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে চিলমারী উপজেলায় মোট ১৫০ জন দুঃস্থ, অসহায় ও এতিমের মাঝে জনপ্রতি দুই হাজার টাকা প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়। গরিব, অসহায় ও এতিমদের নির্বাচন করে এমপির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্ধারিত অর্থের চেক প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কিন্তু অধিকাংশই বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ায় উপস্থিত হতে পারেননি। তাই তাদের মাঝে চেক প্রদান করাও সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।অপরদিকে ঈদের ছুটি উপলক্ষে ব্যাংক বন্ধ ঘোষিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অর্থ উত্তোলন সম্ভব হচ্ছে না এবং এসব দুঃস্থ, অসহায় ও এতিমদের ঈদ পালনে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।২৫/০৫/২০২৬ ইং তারিখে অফিস বন্ধের দিনে চেক নিতে আসা সুবিধাভোগী চিলমারী ইউনিয়নের লিপি, এনামুল, আমিনা; রমনা ইউনিয়নের খাদিজা; রাণীগঞ্জের বুলবুলি, আতেনা; নয়ারহাটের রবিচা, পতিরন, হাফিজুর; থানাহাটের মেনেকা, আনিছুরসহ অনেকেই বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সহযোগিতা সময়মতো আমাদের হাতে পেলে এবারের ঈদে পারিবারিকভাবে সবারই উপকার হতো।বিএনপির চিলমারী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার বলেন, এ ব্যাপারে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জানতে চাইলে তিনি আমাকে বলেন, জনপ্রতি দুই হাজার টাকা বরাদ্দ, যা এমপির দেওয়া। তিনি আরও বলেন, শেষ সময়ে সুবিধাভোগীদের চেক প্রদান করায় ব্যাংক থেকে একজনও এই টাকা উত্তোলন করতে পারেননি
কপিরাইট © ২০২৬ মানচিত্র । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত