বিমল কুমার রায়, পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পূর্ণ্যতীর্থ করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত শ্রী শ্রী সীতানাথ মহাক্ষেত্র ধামের সুবিশাল প্রাঙ্গণে সনাতনী পরম্পরা জাগরণে এবং দেশ ও বিশ্বের শান্তি প্রার্থনায় ২০ সহস্রাধিক সমবেত কণ্ঠে পবিত্র গীতা পাঠ ও মাতৃ-পিতৃ পুজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১১টায় ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মাতৃ-পিতৃ পুজা ও পবিত্র গীতা পাঠ মহোৎসবের এই ঐতিহাসিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের অজস্র সনাতনী ভক্তবৃন্দ অংশগ্রহণ করেছেন।
মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবু হরিশ চন্দ্র রায় এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন "শ্রী শ্রী সীতানাথ মহাক্ষেত্র ধাম" পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অধ্যক্ষ (অব.) উমাপতি রায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে পিতা-মাতা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সন্তানরা তাঁদের পিতা-মাতার পায়ে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন করে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। মাতৃ-পিতৃ পুজা কার্যক্রম পরিচালনা করেন মন্দির পুরোহিত সমীরণ ব্যানার্জী। এরপর বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সনাতনী নেতৃবৃন্দ পবিত্র গীতা পাঠের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। আলোচনা শেষে দুপুর১ টায় "২০ সহস্রাধিক ভক্ত-শ্রোতার সমবেত কণ্ঠে পবিত্র গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। গীতা পাঠে ১ম অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায় এবং অষ্টাদশ অধ্যায়ের মোট ৬০ টি শ্লোক পাঠ করা হয়।
শেষে স্থানীয় শিল্পী ও কীর্তনীয়াদের অংশগ্রহণে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভজনকীর্তন পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত ভক্তদের মুগ্ধ করে তোলে।
গীতা পাঠ অনুষ্ঠানের প্রধান আহবায়ক বাবু হরিশ চন্দ্র রায় বলেন, "সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় বিশ সহস্রাধিক সমবেত কণ্ঠে গীতা পাঠের মহা আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও আন্তরিক সহায়তার ফলেই এ মহৎ অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। অনুষ্ঠানে আগত সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী পূণ্যার্থীবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, পুলিশ প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্য বিভাগ, সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সকলকে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি"

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ নভেম্বর ২০২৫
বিমল কুমার রায়, পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পূর্ণ্যতীর্থ করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত শ্রী শ্রী সীতানাথ মহাক্ষেত্র ধামের সুবিশাল প্রাঙ্গণে সনাতনী পরম্পরা জাগরণে এবং দেশ ও বিশ্বের শান্তি প্রার্থনায় ২০ সহস্রাধিক সমবেত কণ্ঠে পবিত্র গীতা পাঠ ও মাতৃ-পিতৃ পুজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১১টায় ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মাতৃ-পিতৃ পুজা ও পবিত্র গীতা পাঠ মহোৎসবের এই ঐতিহাসিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের অজস্র সনাতনী ভক্তবৃন্দ অংশগ্রহণ করেছেন।
মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবু হরিশ চন্দ্র রায় এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন "শ্রী শ্রী সীতানাথ মহাক্ষেত্র ধাম" পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অধ্যক্ষ (অব.) উমাপতি রায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে পিতা-মাতা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সন্তানরা তাঁদের পিতা-মাতার পায়ে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন করে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। মাতৃ-পিতৃ পুজা কার্যক্রম পরিচালনা করেন মন্দির পুরোহিত সমীরণ ব্যানার্জী। এরপর বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সনাতনী নেতৃবৃন্দ পবিত্র গীতা পাঠের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। আলোচনা শেষে দুপুর১ টায় "২০ সহস্রাধিক ভক্ত-শ্রোতার সমবেত কণ্ঠে পবিত্র গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। গীতা পাঠে ১ম অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায় এবং অষ্টাদশ অধ্যায়ের মোট ৬০ টি শ্লোক পাঠ করা হয়।
শেষে স্থানীয় শিল্পী ও কীর্তনীয়াদের অংশগ্রহণে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভজনকীর্তন পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত ভক্তদের মুগ্ধ করে তোলে।
গীতা পাঠ অনুষ্ঠানের প্রধান আহবায়ক বাবু হরিশ চন্দ্র রায় বলেন, "সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় বিশ সহস্রাধিক সমবেত কণ্ঠে গীতা পাঠের মহা আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও আন্তরিক সহায়তার ফলেই এ মহৎ অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। অনুষ্ঠানে আগত সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী পূণ্যার্থীবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, পুলিশ প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্য বিভাগ, সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সকলকে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি"

আপনার মতামত লিখুন