৩ দফা দাবি আদায় ও ঢাকায় শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে নরসিংদীর মনোহরদীতে সকাল থেকে শুরু হয়েছে ব্যাপক কর্মবিরতি। সকাল থেকে মনোহরদী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুড়ে দেখা যায় তারা ক্লাসে না গিয়ে অফিস রুমে আলোচনা করছেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে।
উল্লেখ্য থাকে যে,
দীর্ঘ দিনের দাবি আদায়ে রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হলে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এর প্রতিবাদে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত হন। বাড়ি ভাড়া হিসেবে মূল বেতনের ২০ শতাংশ ভাতাসহ তিন দাবিতে লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দেন।
শিক্ষকরা বলেন,
“শিক্ষককে অপমান করা মানে গোটা শিক্ষা সমাজকে অপমান করা। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাব।”
কর্মবিরতিতে আছেন মনোহরদী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যার মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য. ধরাবান্দা ফাজিল মাদ্রাসা. আফাজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়. দারুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা মনোহরদী. পঞ্চাশকুড় দাখিল মাদ্রাসা. শেখেরগাও ফাজিল মাদ্রাসা.
কর্মবিরতির কারণে সোমবার মনোহরদীর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ থাকে। এতে শিক্ষার্থীরা পাঠচক্র থেকে বঞ্চিত হয় এবং অভিভাবকদের মধ্যেও হতাশা দেখা দেয়। তবে শিক্ষক সমাজ জানিয়েছেন, ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, ঢাকায় শিক্ষক নির্যাতনের ঘটনায় সারা দেশে যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, জকিগঞ্জের শিক্ষক সমাজও তারই অংশ হিসেবে এই কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষকদের দাবির মধ্যে রয়েছে— ২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা প্রদান, প্রতি শিক্ষককে ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা প্রদান, এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ও সুবিধার পুনর্বিন্যাস।

বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫
৩ দফা দাবি আদায় ও ঢাকায় শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে নরসিংদীর মনোহরদীতে সকাল থেকে শুরু হয়েছে ব্যাপক কর্মবিরতি। সকাল থেকে মনোহরদী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুড়ে দেখা যায় তারা ক্লাসে না গিয়ে অফিস রুমে আলোচনা করছেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে।
উল্লেখ্য থাকে যে,
দীর্ঘ দিনের দাবি আদায়ে রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হলে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এর প্রতিবাদে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত হন। বাড়ি ভাড়া হিসেবে মূল বেতনের ২০ শতাংশ ভাতাসহ তিন দাবিতে লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দেন।
শিক্ষকরা বলেন,
“শিক্ষককে অপমান করা মানে গোটা শিক্ষা সমাজকে অপমান করা। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাব।”
কর্মবিরতিতে আছেন মনোহরদী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যার মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য. ধরাবান্দা ফাজিল মাদ্রাসা. আফাজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়. দারুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা মনোহরদী. পঞ্চাশকুড় দাখিল মাদ্রাসা. শেখেরগাও ফাজিল মাদ্রাসা.
কর্মবিরতির কারণে সোমবার মনোহরদীর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ থাকে। এতে শিক্ষার্থীরা পাঠচক্র থেকে বঞ্চিত হয় এবং অভিভাবকদের মধ্যেও হতাশা দেখা দেয়। তবে শিক্ষক সমাজ জানিয়েছেন, ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, ঢাকায় শিক্ষক নির্যাতনের ঘটনায় সারা দেশে যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, জকিগঞ্জের শিক্ষক সমাজও তারই অংশ হিসেবে এই কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষকদের দাবির মধ্যে রয়েছে— ২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা প্রদান, প্রতি শিক্ষককে ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা প্রদান, এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ও সুবিধার পুনর্বিন্যাস।

আপনার মতামত লিখুন